ABF News & Events
Date: 2016-11-16
দেশেই সফল প্রতিস্থাপন কোমর ও হাঁটুর জয়েন্ট

দৈনিক ইত্তেফাক

কোমর ও হাঁটুর জয়েন্ট নষ্ট হয়ে গেলে আক্রান্ত রোগীদের কি যে অসহনীয় অবস্থা হয়, তাা একবার দেখলে বিবেককে নাড়া দেয়। তাদের দাঁড়িয়ে মলমূত্র ত্যাগ করতে হয়। শরীরে তীব্র ব্যথা ও যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকে। চলাফেরা করতে পারে না। পরিবারে বোঝা হয়ে দাঁড়ান এসব রোগী। এক সময় আপনজনরাও তাদের কাছ থেকে দূরে সরে যায়। মলমূত্রের সাথেই তাদের জীবন-যাপন করতে হয়। অথচ এই জটিল রোগটি সম্পর্কে একটু সচেতন হলে রক্ষা পাওয়া সহজ। চিকিত্সকরা বলছেন, শুধু সচেতনতার অভাবে প্রতি বছর এই জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন হাজার হাজার নারী-পুরুষ। মোট জনসংখ্যার ১০ ভাগ এই রোগে আক্রান্ত। তবে এই দেশে কোমর ও হাঁটু নষ্ট হয়ে গেলে তার বিশ্বমানের চিকিত্সা রয়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক জয় সি হোয়াইট (৭১) এর কোমরে কৃত্রিম জয়েন্ট প্রতিস্থাপন করা হয়েছে বাংলাদেশে। এদেশের প্রখ্যাত অর্থোপেডিক সার্জন অধ্যাপক ডা. আমজাদ হোসেন হোয়াইটের কোমরে সফল কৃত্রিম জয়েন্ট প্রতিস্থাপন করেন। এক সড়ক দুর্ঘটনায় এ মার্কিন নাগরিকের কোমরের জয়েন্ট ভেঙ্গে যায়। তিনি সুস্থ হয়ে দেশে ফিরে গেছেন। তিনি অধ্যাপক ডা. আমজাদ হোসেনকে এক চিঠিতে জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশে কোমরে কৃত্রিম জয়েন্ট প্রতিস্থাপন চিকিত্সার মান যুক্তরাষ্ট্রের মতো। শুধু পার্থক্য হলো যুক্তরাষ্ট্রে এই চিকিত্সার জন্য ব্যয় করতে হতো ৪৫ থেকে ৫০ হাজার ডলার। কিন্তু বাংলাদেশে মাত্র চার হাজার ডলারে এই বিশ্বমানের চিকিত্সা করতে পেরেছি। আমি এখন পুরোপুরি সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন করছি।

অর্থোপেডিক সার্জনদের মতে এদেশে ফাস্টফুড, ভেজাল খাবার, ওজন বৃদ্ধি, কবিরাজি ওষুধ গ্রহণ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কোলেস্টোরাল এবং মোটা হওয়ার জন্য স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ সেবনের কারণে কোমর ও হাঁটুর জয়েন্ট নষ্ট হয়ে যায়। একটি বার্গারে ৬৬০ ক্যালরি থাকে। এটা বার্ন করতে একজনের পাঁচ কিলোমিটার হাঁটা প্রয়োজন। সাধারণত তরুণীরা মোটা হতে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ সেবন করে থাকে। তাদের মধ্যে বেশির ভাগের কোমর ও হাঁটু নষ্ট হয়ে যায় বলে চিকিত্সকদের গবেষণায় পাওয়া গেছে।

শুধু নিয়মিত ব্যায়াম করলে এই জটিল রোগ থেকে সহজে রক্ষা পাওয়া সম্ভব বলে বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা জানিয়েছেন। অনেক চিকিত্সক হাড় ক্ষয় হয়ে যাওয়া রোগীকে বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেন। এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক ডা. আমজাদ হোসেন বলেন, এ ধরনের পরামর্শ রোগীর স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। কারণ সে শুয়ে থাকলে ওজন বাড়বে এবং নানান রোগের উপসর্গ দেখা দেবে। ওই রোগী ওষুধের পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম করলে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে বলে তিনি জানান।

কোমর ও হাঁটুর কৃত্রিম জয়েন্ট অত্যাধুনিক চিকিত্সার অংশ। এই কৃত্রিম জয়েন্ট মানব দেহের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে যুক্তরাষ্ট্রে টাইটেনিয়াম ইমপ্লান্ট অর্থাত্ এক ধরনের মেটাল দিয়ে কৃত্রিম জয়েন্ট তৈরি করা হয়। এছাড়া জাপানেও তা তৈরি করা হয়ে থাকে। এতে শরীরের কোনো ক্ষতি হয় না। কোমর ও হাঁটুতে কৃত্রিম জয়েন্ট প্রতিস্থাপনে রোগী ২০ থেকে ৩৫ বছর পর্যন্ত স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে পারে। এতে কোনো সমস্যা দেখা দেয় না। কৃত্রিম জয়েন্ট প্রতিস্থাপনের পর খেলোয়াড়েরাও তাদের খেলাধুলা চালিয়ে যেতে পারেন। বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকদের মতে, শুধু কৃত্রিম জয়েন্ট কিনতে এক লাখ ৩০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা ব্যয় লাগে। আর ওষুধ ও অন্যান্য খরচ বাবদ সব মিলিয়ে এদেশে ব্যয় হয় আড়াই লাখ টাকা। অথচ এই চিকিত্সা করতে সিঙ্গাপুরে ৩০ লাখ টাকা ও যুক্তরাষ্ট্রে ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা খরচ হয়। অধ্যাপক ডা. আমজাদ হোসেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২০০৩ সাল থেকে কোমর ও হাঁটুতে কৃত্রিম জয়েন্ট প্রতিস্থাপন শুরু করেন। বর্তমানে তিনি ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতালে নিয়মিত এই কৃত্রিম জয়েন্ট প্রতিস্থাপন করে আসছেন।

টাঙ্গাইলের নাগরপুরের কলেজছাত্রী ফারহানা খন্দকার মোটা হওয়ার জন্য স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ সেবনের পর তার কোমরের জয়েন্ট নষ্ট হয়ে যায়। পরে তার লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায়। এক পর্যায়ে তিনি আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু ডা. আমজাদ হোসেন নিজ উদ্যোগে ২০১০ সালে তার কোমরে কৃত্রিম জয়েন্ট প্রতিস্থাপন করেন। গতকাল মঙ্গলবার তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই প্রতিবেদককে জানান, তিনি এখন সুস্থ এবং স্বাভাবিক জীবন যাপন করছেন। গাজীপুর কাপাসিয়ার গৃহিণী স্বপ্না মাহমুদের কোমরে কৃত্রিম জয়েন্ট প্রতিস্থাপনের পর তিনিও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন। আর চাঁদপুর সদরের অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা আবদুল মালেক মৃধার (৬০) কোমরে কৃত্রিম জয়েন্ট স্থাপন করা হয়েছে। তিনিও এখন নিয়মিত নামাজ আদায় করতে পারছেন বলে ইত্তেফাককে জানান।
 
Date: 2013-12-30
Amena-Baki Residential Model School
 
Date: 2013-07-05
সূধী,
আসছে ০৫ জুলাই /২০১৩ রোজ শুক্রবার অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রতি বছরের ন্যায় এবারেও স্কুল দিবস পালন করতে যাচ্ছি । ২০০০ সালের ৫ জুলাই এ.বি মাতা আলহাজ্ব আমেনা খাতুন আমেনা-বাকী রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। উক্ত দিবস উপলক্ষ্যে দিনব্যাপী র্যা লী(এ.বি ব্যাচ ১-৭), এর খেলাধুলা ,সাংস্কৃতিক ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি । তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা ও উৎসাহ জোগাবার জন্য আপনার/আপনাদের উপস্থিতি একান্তভাবে কামনা করছি।
ধন্যবাদান্তে-
অধ্যক্ষ
মো: মিজানুর রহমান
আমেনা-বাকী রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল
চিরিরবন্দর,দিনাজপুর।
 
Date: 2013-05-10
Three cheers for Dinajpur Amena-Baki School
Rural institution tops list of best 20
Our Correspondent, Dinajpur

Amena-Baki Residential Model School, a school in a rural area of Chirirbandar upazila under the district, topped the list of best 20 schools according to this year?s Secondary School Certificate (SSC) examinations under Secondary and High Secondary Education Board, Dinajpur.
All the 79 students who appeared at the SSC examinations from the school this year secured GPA-5.
During a visit to the school yesterday, this correspondent found the students celebrating their achievement. Many of them were dancing and singing in joy.
A festive mode also prevailed in the upazila as the locals are proud of the great achievement, being the first of this kind for a school in the upazila.
?We are really happy as a school of Chirirbandar upazila got the rare achievement,? said Md Delwar Hossain Badsha, a teacher of Chirirbandar Upazila Pilot High School.
?We had a vision and this is now a reality,? said Mizanur Rahman, principal of Amena-Baki Residential Model School.
Prof Dr M Amzad Hossain, a freedom fighter of the district and a renowned orthopaedic surgeon of the country, founded the school after his mother?s name in 2000 with his personal initiatives with a vision to provide quality education to the rural children of his area.
Taking part in the SSC examinations first in 2007, the school has continued doing good results in the SSC examinations.
?Success of this institution proves that if there is specific goal and proper efforts for it, any institution at any place can do good result,? said Dr Amzad Hossain, founder of the school.
 
Date: 2013-01-15
Classes of Amena Baki Residential Model School will be started from 15th January 2013.
 
Date: 2013-01-11
আমেনা বাকী রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল
(এ.বি ফাউন্ডেশনের একটি প্রতিষ্ঠন)
চিরিরবন্দর,দিনাজপুর।

২০১২ সালে উত্তীর্ণ ২০১৩ সালে ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা নিম্নরুপ:-

প্লে না-১ না-২ ১ম ২য় ৩য় ৪র্থ ৫ম ৬ষ্ট ৭ম ৮ম ৯বম ১০ম মোট
৬২ ১০৮ ১০১ ১১৮ ১১৯ ১১১ ১০৯ ৬৯ ১১৩ ৯৩ ৭৭ ৭০ ১১৫০

২০১৩ সালের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ নতুন ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা নিম্নরুপ:-

প্লে না-১ না-২ ১ম ২য় ৩য় ৪র্থ ৫ম ৬ষ্ট ৭ম ৮ম ৯বম ১০ম মোট
৪৭ ৩৪ ০৮ ১১ ০৪ ১২ ০৬ ০৮ ৩৩ ১৩ ০৬ ০৪ - ১৮৬

২০১৩ সালে নতুন ও পুরাতন সহ শ্রেনি ভিত্তিক ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা হ’ল নিম্নরুপ:-

প্লে না-১ না-২ ১ম ২য় ৩য় ৪র্থ ৫ম ৬ষ্ট ৭ম ৮ম ৯বম ১০ম মোট
৪৭ ৯৬ ১১৬ ১১২ ১২২ ১৩১ ১১৭ ১১৭ ১০২ ১২৬ ৯৯ ৮১ ৭০ ১৩৩৬



পুরাতন ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা =১১৫১
নতুন ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা =১৮৬
সর্বমোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা =১৩৩৭ (১০-০১-২০১৩)

১১ তারিখ মেধাতলিকা থেকে ভর্তি চলবে
১২ তারিখ অপেক্ষমান ভর্তি হতে পারে ।
 
Date: 2012-12-27
PSC - Total Examinees = 80 Pass= 80 GPA -5 (A ) = 74 4.25 (A)= 1
4.86 (A)=5

JSC - Total Examinees = 90 Pass = 90 GPA - 5 (A ) = 74 4.71 (A) = 3
4.86 (A) = 13 Third Place in Dinajpur Board , 1st in Dinajpur district

[ N.B - School Secured Third Place 2010
 
 
 
Home        About Us        Our Projects        Gallery        Publications        News & Events        Contacts        Blog        Site Map
 
Copyright © 2012 AB Foundation. All Rights Reserved! Created By: Fecund IT SolutioNs